সংবাদ
Home » বাংলাদেশ » ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায়, রাফিয়া এখন গৃহবন্ধী!

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায়, রাফিয়া এখন গৃহবন্ধী!

মাত্র ১০ বছর বয়সে লড়ে যাওয়ার নাম রাফিয়া। সে কক্সবাজার দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে ঝিনুক বিক্রেতা। এত অল্প বয়সে রাফিয়াকে নিয়তি বাধ্য করেছে সংসারের ভার নিজ কাঁধে তুলে নিতে। তাই তো শিশু কন্যা রাফিয়া স্কুলে যাওয়ার পাশাপাশিঝিনুক বিক্রি করেন কৈতের বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোতে। আর সে আয় দিয়ে ভালোই চলছিল রাফিয়াদের সংসার। তবে সম্প্রতি ফেসবুকের কল্যাণে রাফিয়াকে পুরো দুনিয়া চিনে।  তাই সে বাধ্য হয়েছে স্কুল ছাড়তে , তেমনি বন্ধ করেছে তার ঝিনুক বিক্রি। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় এখন তাকে সবাই চিনে, এবং সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে তাকে নিয়ে সেলফি তুলতে। অপহরণ বা অজানা কোন ভয়ে দিন পারি করছে রাফিয়ার পরিবার। তাই তাকে আপাতত ঘর বন্ধি থাকতে হচ্ছে।

কক্সবাজার সদরের ঝিলংঝা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ঝিরঝিরি পাড়া হত দরিদ্র আব্দুল করিমের কন্যা রাফিয়া। মা রহিমা বেগম গৃহিনী। রাফিয়ারা দুই ভাই, দুই বোন।  তার মধ্যে রাফিয়া মেজ। বড় আব্দুল্লাহ নবম শ্রেণীতে পড়ে। রাফিয়া পড়ে পঞ্চম শ্রেণীতে। তবে আপাতত তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ রয়েছে। রাফিয়ার বাবা বেকার ও অসুস্থ থাকায় রাফিয়া ঝিনুক বিক্রি করতো এবং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতো যা দিয়ে তার পরিবারের সংসার চলতো। কিন্তু ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে সব বন্ধ হয়ে গলে। রাফিয়া বলে, ফেসবুক কি আমি চিনি না, জানি না। আমাকে এবং আমার পরিবারকে এ বিপদ থেকে রক্ষা করুন। আমি পড়তে চাই বাবার চিকিৎসা করাতে চাই। আর এ সব করতে গেলে আমাকে ঝিনুক বিক্রি করতে হবে এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।

রাফিয়ার বাবা আব্দুল্লাহ বলেন, রাফিয়ার সৈকতে যাওয়ার সুযোগ নেই। কেউ যদি এগিয়ে এসে তার পড়াশুনার দায়িত্ব গ্রহণ করে তবে আমি তাকে স্কুলে পড়তে দেব। নয় তো আমার সাধ্য নেই।

তবে খুব শিগ্রই তার পাশে দাঁড়াতে পারে কোন বিত্তবান বা বিত্তশালী কোন লোক! হয়তো রাফিয়ার তখন সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং বাবার চিকিৎসাও করাতে পারবে।

 

তথ্য সংগ্রহ : কক্সবাজার নিউজ

About ARIFUL ISLAM

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*